ভাঙ্গায় বোমাসহ আটক ৩ যুবকে নিয়ে পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলন


মোঃ রমজান সিকদার
ভাঙ্গা(ফরিদপুর) সংবাদদাতা,

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বুধবার দুপুরে বিপুল পরিমাণ হাত বোমা সহ আটক ৩ যুবকের বিষয়ে সন্ধ্যায় থানার কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল। তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন , ভাঙ্গায় বোমা ও বোমা তৈরীর সরঞ্জামসহ আটক ৩ যুবকেরা শিবচরের যুবলীগ নেতা মুরাদ খানের লোক। আটকৃত ৩ যুবক পুলিশের কাছে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকারোক্তি দিয়েছে।
পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল আরো জানান, গ্রেফতারকৃতরা নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের মদদে সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী নাশকতা সংঘটনের উদ্দেশ্যে পেট্রোল বোমা, হাত বোমা তৈরি করতেছিল। তারা যুবলীগ নেতা মুরাদ খানের লোক। মুরাদ খান কয়েকদিন আগে ঢাকা থেকে ভাঙ্গায় রাজীব নামের এক লোকের কাছে বোমা ও বোমা বানানোর সরঞ্জাম তৈরীর জন্য পৌঁছে দেয়। এরপর ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের ব্রাক্ষনকান্দা গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী টিটু সরদারের বসতঘরে এসব বোমা তৈরির পর তা ঢাকাসহ ভাঙ্গা উপজেলায় নাশকতার পরিকল্পনা করে। তাদের এসব কার্যক্রমগুলিকে প্রতিহত করার জন্য ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছিল। আমাদের গোয়েন্দা বিভাগের তথ্য মতে ও ভাঙ্গার সহকারী পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) আসিফ ইকবাল ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফ হোসেনের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযানে এরা ধরা পড়ে।
বোমাসহ আটক যুবকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রকৃয়াধীন রয়েছে। এ ঘটনায় অন্য জড়িত কোন ব্যাক্তি ও সংগঠনের সংশ্লিষ্টতা উদঘাটনের লক্ষ্যে মামলা রুজুসহ তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও ভাঙ্গায় ইন্টারচেঞ্জ এরিয়াসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাবসহ সাদা পোশাকে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
আটক যুবকেরা হলেন, ঢাকা মিরপুরের আলতাফ হোসেনের ছেলে হোসেন রাজ ইসলাম (২২), চাঁদপুর মতলব উত্তরের মুক্তারখালী গ্রামের নুর মোহাম্মদ স্বপনের ছেলে আহাম্মদ রশিদ রাকিব (২৫) ও সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা গ্রামের জালাল মিয়ার ছেলে জুয়েল রানা (২৫)।