ভাঙ্গায় বাস-পিক আপের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাস উল্টে ৩০ ফিট গভীর খাদে। নিহত-২ আহত-৩০


মোঃ রমজান সিকদার,
ভাঙ্গা (ফরিদপুর) সংবাদদাতা১৩/০৪/২০২৬

ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গার বাবলাতলা নামক স্থানে সোমবার (১৩ এপ্রিল ) সকাল ৯ টার দিকে বাস ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে যাত্রীবাহী বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে ৩০ ফিট গভীর খাদে পড়ে উল্টে যায়। দুর্ঘটনায় পিকআপের যাত্রী জাহাঙ্গীর মোল্লা (৪০) নামের একজন ঘটনাস্থলে মারা যায়। সে ভাঙ্গা পৌরসভার কৈডুবী সদরদী গ্ৰামের সেকেন মোল্লার ছেলে।
অপরজন আলমগীর সেক (৪২) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথিমধ্যে মারা যায়। সেও ভাঙ্গা পৌরসভার কৈডুবী সদরদী গ্ৰামের নেছারউদ্দিনের ছেলে।

এছাড়াও বাসে থাকা যাত্রীদের মধ্যে ৩০ জন গুরুতর আহত হন। তাদের স্থানীয় লোকজন এবং ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ও হাইওয়ে থানার পুলিশ উদ্ধার করে ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করেন। এদের মধ্যে আশংকাজনক অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে অর্ধেকেরও বেশি রুগীদের প্রেরণ করা হয়েছে। অধিকাংশ আহত রোগীদের হাত, পা, মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ভেঙ্গে ও কেটে গেছে।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপ পরিদর্শক মামুন জানান, ফরিদপুর থেকে মাদারীপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা শাহ ফরিদ পরিবহন ভাঙ্গার বাবলাতলা ব্রিজের উপরে আসলে বিপরীত দিক টেকেরহাট থেকে বাঙ্গি বোঝাই করে আসা একটি পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়‌। এতে বাসটি সড়ক থেকে ৩০ ফিট গভীর খাদে পড়ে উল্টে যায়। খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সড়কের উপরে থাকা পিকআপটি উদ্ধার করে সড়কের যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করি।আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হসপিটালে প্রেরণ করি। দুর্ঘটনায় পিকআপের ১ জন নিহত হয়। এছাড়াও বাস এবং পিকআপ মিলে ৩০ জন আহত হয়েছে।

ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার আবু জাফর জানান, সকাল ৯ টার দিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করি।