শ্রেষ্ঠ ইউএইচএফপিও’র স্বীকৃতি পেলেন ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. তানসিভ জুবায়ের


মোঃ রমজান সিকদার,
ভাঙ্গা (ফরিদপুর ) প্রতিনিধি-১৯/০৪/২০২৬

ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা তানসিভ জুবায়ের নাদিম “স্বাস্থ্য সেবার গুণগত মানের দৃশ্যমান উন্নয়ন ” ক্যাটাগরিতে ইউএফপিও’র সম্মেলনে উপজেলা পর্যায়ে দেশ সেরা কর্মকর্তা হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। তিনি ২০২৫ সালে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী বিভাগের মানসম্মত সেবা,ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা, আল্ট্রাসনোগ্রাম, গর্ভবতী মায়েদের আধুনিক সেবা, এক্সরে সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন আনেন। ফলে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সেবার মান বৃদ্ধি পায় এবং প্রায় দ্বিগুণ সংখ্যক রোগী সুষ্ঠু চিকিৎসা সেবা পান। স্বাস্থ্যসেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে কর্মরত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে তানসিভ জুবায়েরসহ ছয় চিকিৎসককে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

শনিবার(১৮ এপ্রিল ) সকাল ১১টায় রাজধানী ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে সারা দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাদের সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওই আয়োজনে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাতচন্দ্র বিশ্বাসসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডা: তানসিভ জুবায়ের নাদিম ২০১৪ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন।২০১৭ সালে ৩৫ তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগদান করেন। ২০২৪ সালের ২৮ অক্টোবর তিনি ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০২৫ সালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির বহির্বিভাগে রোগী বেড়েছে ১২ শতাংশ, অন্তর্বিভাগে ৫৯ শতাংশ। জরুরি বিভাগে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ১৩৫ শতাংশ এবং স্বাভাবিক প্রসব বেড়েছে ৭৩ শতাংশ।

ডা: তানসিভ জুবায়ের বলেন, ‘যেকোনো স্বীকৃতিই কাজের গতি বাড়িয়ে দেয়। আমি বিশেষ কিছু করেছি—এটা বলব না। সীমিত সামর্থ্যের সর্বোচ্চ ব্যবহার করার চেষ্টা করেছি। তবে এখানেই থেমে গেলে হবে না, আরও এগিয়ে যেতে হবে।পুরস্কার প্রাপ্তিতে আমার কাজ করার স্পৃহা আরো বাড়বে।