
মোঃ রমজান সিকদার,
ভাঙ্গা প্রতিনিধি-২৪/১০/২০২৫
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পৌরসভার দেওয়া নকশা পরিবর্তন করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় অনুমোদনহীন বহির্ভূত ভবনের অংশ অপসারণের জন্য পৌর কতৃপক্ষ নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে (২৩ অক্টোবর) হোগলাডাঙ্গী সদরদী গ্রামের মোঃ আমিনুল ইসলাম খালাসী ওরফে আদমকে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং তাকে ১৫ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। পৌর কর্তৃপক্ষের আদেশ অমান্য করিলে ভবন মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে পৌর কতৃপক্ষ বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
পৌরসভার চিঠি সুত্রে জানা যায়, বিগত ১৯/০১/১২ তারিখে ভাঙ্গা পৌরসভা প্রকৌঃ ২০১২/৩৪৪ স্মারক মূলে আমিনুল ইসলামকে পাঁচতলা ইমারত নির্মাণের অনুমোদন দেন পৌরসভা। কিন্তু বিল্ডিং এর মালিক আমিনুল ইসলাম ওরফে আদম নকশা পরিবর্তন করে পাঁচতলার উপর অবৈধভাবে অতিরিক্ত চিলাকোঠার সাথে একাধিক পাকা কক্ষ নির্মাণ করেন। যাহা ইমারত নির্মান আইন বহির্ভূত। তাই পৌর কতৃপক্ষ ১৫ দিনের মধ্যে অবৈধ অংশ টি ভেঙে ফেলার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে পাশ্ববর্তী ভবনের মালিক হাজী আব্দুল মান্নান তার নিজের ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে ভেবে পৌরসভার একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি বলেন, নকশা পরিবর্তন করে ভবনের মালিক আমিনুল ইসলাম আদম পৌরসভার নিয়ম বহির্ভূত ভাবে ৫তলার স্থলে ৬তলা ভবন নির্মাণ করাতে ভবনটি ঝুঁকিতে পড়েছে। তার বিডিং এর পাশে আমার ভবনটি ও ঝুঁকিতে পড়েছে। আদমের ছয়তলা ভবনটি যেমন ঝুঁকিপূর্ণ ঠিক তেমনি আমার ভবনটিও ঝুকিঁতে পড়েছে। তাই পৌর কর্তৃপক্ষ দ্রুত অবৈধ ৬তলার অংশ টি ভেঙে ফেলার জন্য পৌর কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।
এ বিষয়ে ভবনের মালিক আমিনুল ইসলাম খালাসী ওরফে আদম বলেন, আমি বিষয়টির না বুঝতে পেরে পাঁচতলার উপরে চিলাকোঠার সাথে অতিরিক্ত দুটি রুম করেছি।
এ ব্যাপারে পৌরসভার সার্ভেয়ার মোঃ রাকিব জানান, আমিনুল ইসলাম ওরফে আদম, পৌরসভার নকশায় ৫তলা অনুমোদন নিয়ে তিনি নকশা পরিবর্তন করে নিয়ম বহির্ভুত ভাবে অতিরিক্ত কক্ষ নির্মাণ করেছেন। আমরা অবৈধ অংশটি ভেঙে ফেলার জন্য ১৫ দিনের সময় দিয়েছি। ১৫ দিনের মধ্যে অবৈধ অংশটি না ভাঙলে এবং পৌরসভার আইন অমান্য করিলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

