ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুর সদর উপজেলায় আজ মুখরিত ছিলো একজন কর্মবীর কোভিড-১৯ মোকাবেলার একজন ফ্রন্টলাইনার, প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দুর্যোগ মোকাবেলা করার একজন সফল সৃজনশীল প্রশাসক ফরিদপুর জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক অতুল সরকারের পদচারণায়।
সদর উপজেলা পরিষদে যে সমস্ত কর্মকান্ডে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন তা হলঃ
১. আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্প ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
২. উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
৩. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব’ ম্যুরাল এবং উপজেলা পরিষদ চত্বরের আরসিসিকরণ ও সৌন্দর্য বর্ধন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন।
৪.কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে মাসকলাই বীজ ও সার এবং শাক সব্জির বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন।
৫. সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপবৃত্তির চেক বিতরণ করেন।
৬. উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান বিষয়ক অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
উপজেলা হল রুমে আয়োজিত বর্ণিত অনুষ্ঠান সমূহে প্রায় দুই ঘন্টা ব্যাপী সময় অতিবাহিত করেন। এসময় তিনি উপজেলা পরিষদে বাস্তবায়িত ও চলমান কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এছাড়া কৃষকদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের চলমান মহামারী করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় কৃষকদের ভূমিকার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
তিনি কৃষকদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা উল্লেখ করেন এবং সেই ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কৃষকদের জন্য বিভিন্ন প্রকল্পে কৃষি প্রনোদনার বিষয় তুলে ধরেন। তিনি কোন আবাদি জমি পতিত না রাখার জন্য কৃষকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
এছাড়া প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এরা অক্ষম নয়, বরং বিশেষভাবে সক্ষম। এরা আমাদের দেশের সম্পদ। এদের প্রতি আমাদের সকলের ইতিবাচক মনোভাব পোষন ও প্রদর্শন করতে হবে। ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ বিশেষ বৃত্তি নিয়ে যাতে তারা স্বাভাবিকভাবে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারে সেজন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, ফরিদপুর সদর উপজেলা কর্তৃক যে সকল প্রকল্প ইতোমধ্যে গৃহীত এবং বাস্তবায়িত হয়েছে তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি একজন উপজেলা নির্বাহী অফিসার যদি তার একাগ্রতার এবং নিষ্ঠার সাথে কাজ করেন, তাহলে সেই উপজেলার চিত্র বদলে দেয়া সম্ভব। ইতিমধ্যে ইউএনও মাসুম রেজার বিভিন্ন উদ্যোগে সদর উপজেলার চিত্র বদলে গেছে এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। এসময় তিনি জনপ্রতিনিধিদের সার্বিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

