জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান রিয়াজুল হক বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমকর্মীরা হচ্ছে বড় কমিশন, কারণ তারা হচ্ছে সবচেয়ে বড় ওয়াচডগ। গণমাধ্যকর্মীদের স্বাধীনতানা থাকলে অন্যদের মত প্রকাশে তারা সহযোগীর ভূমিকা পালন করতে পারেন না এবং কমিশন গণমাধ্যকর্মীদের পাশে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মত প্রকাশই স্যুতে জাতীয় মাবনাধিকার কমিশনকে কার্যকর ও জোরালো ভূমিকা নিশ্চিত করার আহবান জানান আর্টিকেল ১৯ বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার পরিচালক তাহমিনা রহমান। গতকাল মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টার ইন এ ‘ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস্ কমিশন এন্ড ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন সাম রিফ্লেকশনস্ এন্ড মুভিং ফরোয়ার্ড শীর্ষক’ জাতীয় কনসালটেশন সভা পরিচালনা করেন তাহমিনা রহমান ।
সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষার জন্য মানবাধিকার কমিশনের শক্তিশালী ভূমিকা রাখার আহবান জানান ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধূরী।
বাংলাদেশে বাক স্বাধীনতা চর্চার ক্ষেত্রে আমরা উদ্বিগ্ন। বিগত বছরগুলোতে সাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকর্মীদের হত্যাকান্ড, ৫৭ ধারায় মামলাসহ অন্যান্য নির্যাতনের প্রবণতা বেশী লক্ষ্য করা গেছে। এসব ব্যাপারে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন জোরালো ভূমিকা পালন করতে পারেন বলে মত দিয়েছেন সভায় উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা।
এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মানবাধিকার সংগঠক ও শিক্ষাবিদ হামিদা হোসেন, উন্নয়ন সংগঠক মানজুর হাসান, প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হোসেন, নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, আইন বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানসহ ঢাকা ও স্থানীয় পর্যায়ের সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মানবাধিকারকর্মীসহ অন্যরা।

