ভাঙ্গায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ও আ.লীগ ইউএনও’র সাথে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে থাকছেনা

ষ্টাফ রিপোর্টার: এবছর ভাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের সাথে মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে থাকছে না উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ও স্থানীয় আ.লীগ। একটি বিশ্বস্ত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সম্প্রতি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ও স্থানীয় আ.লীগ ইউএনও মুকতাদিরুল আহমেদকে দূর্ণীতিবাজ, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা চেতনা বিরোধী, আওয়ামীলীগ বিদ্বেশী এবং স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির তাবেদারকারী অভিযোগে অভিযুক্ত করেন। ইতিমধ্যে ইউএনও’র অপসারনের দাবীতে সর্বস্তরের জনগণ গত ২০ নভেম্বর’২০১৯ উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন করেন। এরপর ১২ ডিসেম্বর’২০১৯ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ও স্থানীয় আ.লীগ। সংবাদ সম্মেলনে দূর্ণীতিবাজ ইউএনও’র সাথে মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষনা দেয়া হয়েছিল।

এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. সাইফুর রহমান মিরন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. আকরামুজ্জামান রাজা, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার মাহবুবুর রহমান মোতালেব ভাঙ্গার আলো প্রতিনিধিকে জানান, স্বাধীনতা চেতনা বিরোধী ও আ.লীগ বিদ্বেশী ইউএনও’র সাথে মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, স্থানীয় আ.লীগ ও অঙ্গ সংগঠন এবং স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি থাকতে পারেনা। তাই ইউএনও’র তত্বাবধানে ও উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান বিজয় দিবসের সকল অনুষ্ঠান বর্জনের সিদ্ধান্তে আমরা অনড়।

তারা আরও বলেন, আগামীকাল ১৬ ডিসেম্বর’২০১৯ মহান বিজয় দিবসের সকল অনুষ্ঠান উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে উদযাপন করা হবে। অনুষ্ঠানের মধ্যে থাকবে সকাল ৯ টায় মুক্তিযুদ্ধ ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, র‌্যালী, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল। মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ও স্থানীয় আ.লীগ নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য আহব্বান জানান।

এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুকতাদিরুল আহমেদ এর প্রতিক্রিয়া জানতে ০১৭০১-৬৭০০৩০ নাম্বারে ফোন দিলে তিনি তা কেটে দেন। পরবর্তীতে তাকে সরকারী টিএন্ডটি’র ল্যান্ড ফোন ০৬৩২৩-৫৬১২৪ নাম্বারে ফোন করলে তিনি তা রিসিভ করেন এবং ভাঙ্গার আলো প্রতিনিধিকে বলেন, এ বিষয়ে ফোনে কোন বক্তব্য দিতে পারবো না। আপনি আমার অফিসে আসেন, সাক্ষাতে কথা হবে——–।