আসন্ন ভাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আমি আ.লীগের মনোনয়ন পেতে দাবিদার —–কিবরিয়া বিশ্বাস

খোলা চিঠি———

আসন্ন ভাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আ.লীগের মনোনয়ন পেতে দাবি করছি আমি ভাঙ্গা উপজেলার সাবেক ছাত্রলীগ ও যুবলীগ সভাপতি এবং বর্তমান উপজেলা আ.লীগের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ গোলাম কিবরিয়া বিশ্বাস।

আমি ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান দেখেছি। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ দেখেছি এবং যুদ্ধের সময় পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে কি কি আছে, কে কোথায় অবস্থান করছে, কয়টি বাংকার খোঁড়া হয়েছে তা ঘুরে ঘুরে দেখতাম। সে সময় পাক হানাদার বাহিনীর গোপনীয় সকল তথ্য সংগ্রহ করে রাতের আঁধারে আমার চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আতিয়ার রহমান বিশ্বাস সহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে বলে দিতাম। শিশুকালে এভাবেই জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশের স্বার্থে মুক্তিযোদ্ধাদের দেশ স্বাধীনে সহযোগিতা করেছিলাম। দেশ স্বাধীনের পর আমার বাবা আলহাজ্ব মহিউদ্দিন বিশ্বাস আমাকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসায় ভর্তি করে দেন।

আমি গহওরডাঙ্গা মাদ্রাসায় অধ্যায়ন কালে ১৯৭৫ সালে ঘাতকদের হাতে নির্মমভাবে স্বপরিবারে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিহত হলে ১৬ আগষ্ট টুঙ্গিপাড়ায় ছুটে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি জাতীর পিতার বাবা-মায়ের কবরের সামনে বঙ্গবন্ধুর নিথর দেহটি রাখা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে শেষবারের মত দেখতে লাশের নিকটে যাওয়া মাত্রই তৎসময়ে কর্তব্যরত সেনা সদস্যরা আমাকে বাঁধা দেয়। এক সেনা সদস্য ক্ষিপ্ত মেজাজে ধমকের সুরে আমাকে বলেন, “এই শালা পিচ্চি মৌলভী! তুই এখানে কিভাবে এলি? এখান থেকে এক্ষুনি চলে যা”। এসময় বঙ্গবন্ধুর লাশের দিকে তাকিয়ে আমি কেঁদে ফেলি। ঐ সেনা সদস্য আমাকে যে কি বলেছে, সেদিকে বিন্দুমাত্র খেয়াল হয়নি। সেনা সদস্য’র কথা শুনতে না পাওয়া ও যাওয়ায় দেরি হওয়া মাত্রই ঐ সেনা সদস্য রেগে আমার টুটি চেপে ধরে উঁচু করে মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। বঙ্গবন্ধুর রক্তাক্ত লাশ দেখে এতটাই বিস্মিত ও ব্যথিত হয়েছিলাম যে, সেনা সদস্য’র আচরনে শরীরে কোন ব্যাথাই অনুভব হয়নি। শেষঅবধি ভয়ে কাঁদতে কাঁদতে মাদ্রাসায় ফিরে যাই। মাদ্রাসায় ফিরে গিয়েও নিজেকে স্থির রাখতে পারিনি। ঐ রাতসহ কয়েকটি রাত আমাকে নির্ঘুমভাবে কাটাতে হয়েছিল।

টুঙ্গিপাড়ার পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে কিছুদিন পর শুক্রবারে পুনঃরায় বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করতে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি, তাঁর কবরটির চারপাশে চারটি বাঁশের খুঁটি দিয়ে তার উপরে সাদা কাপড় টানিয়ে রাখা হয়েছে। কাপড়ের উপরিভাগে কিছু ফুল ছিটানো এবং কবরটি পানি দিয়ে ভিজানো ছিলো। কবরের উপরে বঙ্গবন্ধুর একজন চাচা শুয়ে আহাজারী করছেন। ক্রন্দনরত ঐ চাচাকে জিজ্ঞাসা করি, আপনি কবরে পানি দিচ্ছেন কেন? উত্তরে তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের কথা ভাবতে ভাবতে তাঁর গলা শুকিয়ে এলেই তিনি আমার নিকট পানি চান। তাই আমি কবরে পানি দেই”। অতঃপর তাঁর কবর জিয়ারত করে মাদ্রাসায় ফিরে আসি। মাদ্রাসায় ফিরে এলেও নিজেকে আর স্থির রাখতে পারিনি। অবশেষে মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়ী ফিরে এলাম। এরপর থেকেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি আমার দুর্বলতা, অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জন্মায়।

ভাঙ্গায় কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামে নিজ বাড়ীতে ফিরে এসেও বঙ্গবন্ধুর সেই স্মৃতি ও ঘাতকদের নির্মমতার কথা ভুলতে পারিনি। লেখাপড়াসহ কোন কাজেই যেন মন বসছিলো না। নিজেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে প্রায় ছয় মাস কেটে গিয়েছিল। বাবার অ’মতে আমার বড় চাচা মরহুম হাজী শফিউদ্দিন বিশ্বাস আমাকে প্রাইমারী স্কুলে ভর্তি করেন। ছাত্র জীবন থেকেই আ.লীগের বিভিন্ন মিটিং ও মিছিলে অংশগ্রহন করতে থাকি।

১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের হ্যাঁ/না ভোটের সময় এর বিরোধিতা করতে গিয়ে তাঁর কর্মীদের হাতে লাঞ্ছিত হই। ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আ.লীগ প্রার্থী মরহুম সৈয়দ হায়দার হোসেন এর পক্ষে নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে কাজ করি। ১৯৮১ সালের ১৩ আগষ্ট গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার ভাঙ্গা উপজেলায় শুভাগমন উপলক্ষে তৎকালীন জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, ফরিদপুর জেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম সৈয়দ হায়দার হোসেনের নির্দেশে আয়োজিত জনসভার মঞ্চ তৈরীসহ সভা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করি এবং জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হাত ধরে মঞ্চে উঠাই। সে সময় ভাঙ্গা উপজেলার স্থানীয় ঈদগাহ্ ময়দানে আগত হাজার হাজার উৎসুক জনতা শেখ হাসিনাকে একনজর দেখতে দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসে। ঈদগাহ ময়দান ও আশপাশের এলাকা তখন জনসমুদ্রে পরিনত হয়েছিল। তখন উৎসুক জনতা জনসভা এলাকার প্রতিটি গাছে গাছে উঠেও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে একনজর দেখার চেষ্টা করেছিল।

জনসভার মঞ্চে বিছানোর জন্য কে.এম কলেজ থেকে কার্পেট আনতে গেলে কলেজের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মরহুম গুলজার আহম্মেদ শেখ হাসিনার মঞ্চে কার্পেট দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং তার অন্য ষ্টাফদেরকে কার্পেট দিতে নিষেধ করেন। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষের সামনে কক্ষের তালা ভেঙ্গে কার্পেট নিয়ে এসে মঞ্চে ব্যবহার করি। তখন এ ঘটনায় অধ্যক্ষ বাদী হয়ে আমার বিরুদ্ধে ভাঙ্গা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

১৯৮৪ সালে কেএম কলেজ ছাত্রলীগের নবীনবরণ ও সম্মেলনের পোষ্টার আনতে গিয়ে মতিঝিলের বাংলার বানী পত্রিকা অফিস থেকে রাত ১১ টার সময় বাহির হওয়া মাত্রই পুলিশের হাতে আটক হই। ঐসময় সারা দেশে কারফিউ জারি বলবদ ছিল। ১৯৮৭ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা গৃহবন্দী থাকা অবস্থায় তাঁকে দেখতে গিয়ে ধানমন্ডির ৩২ নাম্বার সড়ক থেকে দুপুর ১২ টার সময় পুনরায় আটক হই।

রাজনৈতিকভাবে আ.লীগের দূর্দিনে যাদের নিয়ে এক সাথে লড়াই সংগ্রাম করেছি এবং সহযোগিতা পেয়েছি তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, আ.লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, গণ পরিষদের প্রাক্তন সদস্য, মাদারীপুর জেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক, সমাজ সেবক, জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে মরহুম ইলিয়াস আহম্মেদ চৌধুরী (দাদা ভাই), ফরিদপুরের সাবেক সাংসদ এডভোকেট মোশাররফ হোসেন, ডাঃ কাজী আবু ইউসুফ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ভাষা সৈনিক, বাংলাদেশ আ.লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও ফরিদপুর জেলা আ.লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম নুরুন্নবী, বৃহত্তর ফরিদপুর জেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি ইমামউদ্দিন আহম্মেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র, শ্রমিক নেতা মরহুম হাসিবুল হাসান লাভলু, সাধারণ সম্পাদক বাবু বিপুল ঘোষ, ফরিদপুর জেলা আ.লীগের সাবেক সদস্য মরহুম সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া, পৌর আ.লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল ইসলাম রাজু, ভাঙ্গা উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি ডা: হাবিবুর রহমান, সভাপতি ডা: শওকত আলী ফকির, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বার মাতুব্বর, ভাঙ্গা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. শাহাদাত হোসেন, আ.লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক অপু, ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং আমার রাজনৈতিক গুরু মো. ফারুক হোসেন প্রমুখ।

১৯৮৫ সালে হুসাইন মোঃ এরশাদ এর সময়ে আ.লীগের পক্ষে আন্দোলন করার কারনে আমাকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে আটকের নির্দেশ আসে। মাস তিনেক পলাতক থাকার পর আটরশি হুজুরের মাধ্যমে আটকের নির্দেশ সিথিল হয়। ১৯৮৭ সালে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহন করায় আমাকে ও ভাঙ্গা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সুধীন সরকার মঙ্গল-কে আটক করতে হুলিয়া জারী করা হয়। উল্লেখ্য যে, আটরশির হুজুর আমার নিকট আত্নীয় হওয়ায় আবারও তাঁর নিকট ছুটে যাই। তখন সম্ভাব্য গ্রেফতার এড়াতে হুজুরের নিকট ঘটনা খুলে বলি। এসময় তাঁর বাড়ীতে বসেই এরশাদ সাহেব আমাকে আ.লীগ ছেড়ে তাঁর দল জাতীয় পার্টিতে যোগ দিতে বলেন। এরশাদ সাহেবের পক্ষ থেকে লোভনীয় প্রস্তাব থাকার পরও বঙ্গবন্ধুর সেদিনের স্মৃতি বিজড়িত ঘটনা এবং তাঁর নীতি আদর্শ বুকে ধারন করায় আমার পক্ষে জাতীয় পার্টিতে আর যোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।

১৯৮৪ সালে তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি বাহালুল মজনু চুন্নু ও সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুল কাদের ভাইয়ের সাথে আমার ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীতে ডাকসু’র সাবেক ভিপি ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুলতান মোহাম্মাদ মুনসুর এবং সাধারণ সম্পাদক, ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী-মধুখালী-আলফাডাঙ্গা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং বর্তমানে বাংলাদেশ আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য  আব্দুর রহমান ভাইয়ের আশির্বাদে আমি ১৯৮৬ সালে ভাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হই। নির্বাচিত হয়ে দীর্ঘদিন অর্পিত দায়িত্ব পালন করি। ছাত্রলীগের সভাপতি থাকাকালীন সময়ে ভাঙ্গা কে.এম কলেজ ছাত্র-ছাত্রী সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থী আমার ছোট ভাই মো. সাখাওয়াত হোসেন বিশ্বাস,  সাইফুল ইসলাম শওকত, শরীফুজ্জামান শরীফ, আকরামুজ্জামান মিঠুকে ভিপি এবং সোবাহান মুন্সি, লাভলু মুন্সি, ফরিদ মুন্সি-কে জি.এস নির্বাচিত হতে সার্বিক সহযোগিতা করেছি।

১৯৯৪ সালে আমি ভাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হই। বাংলাদেশ আ.লীগের অন্যতম প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এবং বর্তমান জাতীয় সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম ভাইয়ের সময়েও আমি ভাঙ্গা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলাম। ২০০৩ সালে গঠিত আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য ও বাংলাদেশ আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবীর নানক এবং সাংসদ, বাংলাদেশ আ.লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মির্জা আজম ভাইয়ের সময়েও আমি উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করি।

১৯৭৫ সাল থেকে স্বাধীনতা বিরোধীরা সুকৌশলে জিয়া, ছাত্তার, এরশাদ, খালেদা জিয়া সরকারের আমলে বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থেকে সুযোগ সুবিধা নিয়েছে তারাই আ.লীগের উচ্চ পদে অনুপ্রবেশ করে উপজেলা আ.লীগের অস্তীত্বকে সংকটে ফেলেছে। স্থানীয় আ.লীগের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন না করে হাইব্রীড নেতাদের প্রাধান্য দেওয়ায় ফরিদপুর-৪ আসনের সাবেক সাংসদ ও বাংলাদেশ আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ্’র দু’দুবার ভরাডুবি হয়েছে। স্থানীয় আ.লীগে অনুপ্রবেশকারী হাইব্রীড নেতাদের আচরণে ত্যাগী নেতা-কর্মীরা ক্ষুদ্ধ। আগামীতে ঐসকল সুবিধাভোগী হাইব্রীড নেতাদের আ.লীগ থেকে বহিস্কারের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আ.লীগের সফল সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আশু ও কার্যকরী হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আমি মনে করি, আ.লীগের ভোট ব্যাংক হিসেবে পরিচিত ফরিদপুর-৪ আসনটি পুনরুদ্ধার করতে হলে এখনই ত্যাগী নেতাদের মধ্যে থেকে সৎ ও যোগ্য নেতাদেরকে যথাযথ মূল্যায়ন করে দলীয় মনোনয়ন দিলে আসনটি হারাবার আর ভয় থাকবে না।

আমি একজন সৎ, যোগ্য ও ত্যাগী আ.লীগ নেতা হিসেবে আগামী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন পাবার দাবীদার বলে মনে করছি। কারন রাজনৈতিকভাবে ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৯৬ এবং ২০০১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে অনেক মামলা ও হামলার শিকার হয়ে আমার বাবার লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করেছি। পারিবারিকভাবে সকলে আওয়ামী সমর্থিত ও বঙ্গবন্ধুর নীতি আদর্শের প্রতীক হওয়ায় কোন লড়াই সংগ্রামে পিছুপা হইনি এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে কোন ধরনের আপোষ করিনি। আমার বাবাই আমাকে রাজনীতি করতে সাহস ও সমর্থন দিয়েছেন এবং সকল বিপদ-আপদে পাশে ছিলেন। তিনি  না থাকলে হয়তো আমার ঠিকানা হতো জেলখানা।

তাই আসন্ন ভাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আমাকেসহ সারাদেশে আ.লীগের সৎ, যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের দলীয় মনোনয়ন দিয়ে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করছি।