সিরাজগঞ্জে কৃষকলীগ নেতার পুত্র শাকিল ৫৭ মিডিয়ার মালিক !

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জ তাড়াশ উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের বিতর্কিত তাড়াশ উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি কাজি গোলাম মোস্তফার ছেলে ডি জে শাকিল নিজে একাই ৫৭ টা মিডিয়ার চেয়ারম্যান বা মালিক হিসেবে নিজেকে দাবি করেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় গুরুত্বপূর্ন জনবহুল স্থানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ডি.জে শাকিলের হাতে গড়া ৫৭ টি মিডিয়া, এর মধ্যে রয়েছে বেশ কয়েকটি কথিত টিভি চ্যানেল, বেশকিছু পত্রিকা এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল, এই মিডিয়াগুলোতে সাংবাদিক নিয়োগ হবে এই মর্মে লোগো সম্বলিত ব্যানার ফেসটুন দেয়ালে সাটাঁনো দেখা যায়। এখানেই তার কর্মকান্ড শেষ নয় সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে ভুয়া নিয়োগের সার্কুলার দিয়ে চাকরি দিবে মর্মে সাধারন মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। বিষয়গুলো নিয়ে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারন মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার ঝড় উঠেছে।

স্থানীয়রা সাংবাদিকদের জানান, ডি জে শাকিল টাকার বিনিময়ে অযোগ্য লোকদের তার হাতে গড়া মিডিয়ার আইডি কার্ড দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা নেয় কিন্তু আমরা কোনদিন দেখি নাই যে কারো চাকরি হয়েছে, আবার তার হাতে গড়া এইসব মিডিয়ার সরকারি কোন অনুমোদন আছে কিনা তাও কারো জানা নাই। স্থানীয়রা আরও জানান, ডি জে শাকিল ও তার বাবা প্রভাবশালী হওয়ায় তার অপকর্মের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না। তবে তার এই কথিত মিডিয়ার ব্যবসা সাংবাদিকতার পেশাকে প্রশ্ন-বিদ্ধ করেছে।

এব্যাপারে ডি.জে শাকিল বলেন, আমি বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্বা প্রজন্মলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক। আমার বাবা একজন উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি। সিরাজগঞ্জ জেলার বড় বড় সাংবাদিক আমার পরিচিত। আমি যা কিছু করেছি তা সরকারি নিয়ম মেনেই করেছি। আমার রিশান কোম্পানীতে কোন অনিয়ম নেই।

এ ব্যাপারে তাড়াশ থানার অফিসার ইনর্চাজ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ আসেনি, তবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

উপজেলা র্নিবাহী অফিসার এস এম ফেরদৌস ইসলাম বলেন, আমি সাংবাদিকতা পেশা সম্পর্কে জানিনা তাই এই বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না।