ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে ভাঙ্গা থানা পুলিশের নীরব ভূমিকায় বাড়ছে মাদক বিক্রি, সেবনকারি ও বিকাশ প্রতারক চক্রের সংখ্যা। মাদকে সয়লাব হচ্ছে উপজেলার প্রতিটি গ্রামগঞ্জ। এমন অভিযোগ সুশীল সমাজের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, প্রায় ১ বছর যাবত হঠাৎ করেই মাদক বিক্রেতা ও বিকাশ প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে ভাঙ্গা থানা পুলিশের তৎপরতা কমে গেছে। মাদক সম্পর্কে তথ্য দিলেও কোন এ্যাকশানে যায় না পুলিশ। আগে যেমন উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নেই মাদক ও অপরাধ দমনে পুলিশের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মত। সবসময় অপরাধীরা পুলিশের ভয়ে তটস্থ ছিল। কিন্তু বর্তমানে পুলিশের তৎপরতা না থাকায় মাদক বিক্রেতা, সেবনকারি ও বিকাশ প্রতারক চক্রের সদস্যরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কোন এলাকাতেই মাদক বিক্রেতা, সেবনকারি ও বিকাশ প্রতরক চক্রের বিরুদ্ধে পুলিশী এ্যাকশন নেই বললেই চলে। ফলে বাড়ছে অপরাধ প্রবনতা।
একটি বিশ্বস্ত সূত্র মতে, প্রতিটি এলাকাতেই রয়েছে পুলিশের বিশেষ কিছু স্থানীয় দালাল। এই দালাল চক্রের মাধ্যমে মাদক বিক্রেতা, সেবনকারি ও বিকাশ প্রতারক চক্রদের বিশেষ দফারফায় নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। তাই পুলিশের তৎপরতা একেবারেই নেই।
সূত্রটি আরও জানায়, বিকাশ প্রতারণা চক্র ও মাদক বিক্রেতাদের সাথে স্থানীয় দালাল ও থানা পুলিশের বিশেষ সখ্যতা গড়ে ওঠায় এলাকার অপরাধ এখন ওপেন সিক্রেট। প্রতিটি এলাকা এখন মাদকে সয়লাব। ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী ও নিয়মিত মামলার তদন্ত ছাড়া কোন পুলিশ সদস্য থানার বাইরে যান না। চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ি ও বিকাশ প্রতারক চক্রের হোতাদের পাকড়াও করতে বিধিনিষেধ রয়েছে থানা পুলিশের। ফলে অনেক সৎ ও নিষ্ঠাবান পুলিশ অফিসার আগের মত স্বাধীনভাবে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধ দমনে কাজ করতে পারছেন না।
ভাঙ্গা উপজেলার সুশীল সমাজ মাদক ও অপরাধ দমনে আগের মত পুলিশী তৎপরতা বাড়াতে ফরিদপুর পুলিশ সুপার মহোদয়ের আশু ও কার্যকরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

