ষ্টাফ রিপোর্টার: উপজেলার চৌকিঘাটা হাটে এমপি নিক্সন চৌধুরীর একটি জনসভা শেষে তার সমর্থকরা ভাঙ্গা টাউনপাড় উপজেলার সামনে অবস্থিত বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও যুবলীগ পৌর শাখার অফিসে থাকা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ও অফিসের আসবাবপত্র ভাংচুরসহ অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেয়। একইসাথে সংঘবদ্ধ দলটি হাজারাহাটি গ্রামের পৌর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ফিরোজ খয়রাতীর বাড়িতেও ব্যাপক ভাংচুর করে। এসময় আওয়ামীলীগের ৪ সমর্থক আহত হয়। আহতরা হলো সোহাগ মোল্লা (২৫), দেলোয়ার হোসেন (৩০), শাহেন শাহ (৩০), এবং কামাল মাতুব্বর। অপর দিকে এমপি নিক্সন চৌধুরীর একজন সমর্থক আহত হয়ে ভাঙ্গা হাসপাতালে চিকিৎসাধিন আছে।
আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও যুবলীগের অফিস ভাংচুর করায় তাৎক্ষনিকভাবে ভাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাৎক্ষনিকভাবে এক প্রতিবাদ মিছিল বের করে অফিস ভাংচুর ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে অগ্নিসংযোগকারিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
এ ব্যাপারে বুধবার সকালে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আকরামুজ্জামান রাজা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া বিশ্বাস, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল হক (মিরু মুন্সি), পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ হোসেন ও আইয়ুব মুন্সি এবং পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শফিউল মিয়া ও পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া মুন্সি, আওয়ামীলীগ নেতা বিল্লাল শরীফ, ফিরোজ খয়রাতী, ৬ নং ওয়ার্ডের পৌর কাউন্সিলর শেখ সৈয়দ আলীর নেতৃত্বে ৩ পাড়ের আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে বিশাল এক প্রতিবাদ মিছিল করেন। এসময় উক্ত মিছিল থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন এর পদত্যাগসহ তার বিচার দাবি করে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন শ্লোগান দেন।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মিরাজ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান উভয় পক্ষেরই অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের একটি মামলা হিসেবে রুজু হয়েছে এবং অন্যটা প্রক্রিয়াধিন আছে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।

