
মোঃ রমজান সিকদার,
ভাঙ্গা (ফরিদপুর) সংবাদদাতা-২২/০৬/২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় তৃতীয় শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আমির আলীর বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও শত শত গ্ৰামবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে মাদ্রাসায় হামালায় চালায়।
সোমবার (২২’জুন) দুপুরে ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের ভরিলহাট নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত আমির হোসেন ওই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে অবরুদ্ধ শিক্ষককে উদ্ধার করে ভাঙ্গা থানায় নিয়ে আসেন।
স্থানীয় অভিভাবক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার মাদ্রাসা ছুটির পর এক শিক্ষার্থীকে উপহার দেওয়ার কথা বলে সহকারী শিক্ষক আমির আলী ঐ শিক্ষার্থীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করে। শিক্ষার্থী সেসময় নিজেকে তার থেকে বাঁচিয়ে পুরো বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের কাছে জানায়। পরবর্তীতে অভিভাবক ও এলাকাবাসীর ক্ষোভ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
আজ সোমবার সকালে শিক্ষার্থীর অভিভাবক সহ শত শত গ্ৰামবাসী মাদ্রাসায় গিয়ে ঘটনার বিচার দাবি করেন। এ সময় শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে গ্ৰামবাসী ঐ অভিযুক্ত শিক্ষক সহ সকল শিক্ষক কর্মচারীদের মাদ্রাসার ভেতরে অবরুদ্ধ করে রেখে বিচারের দাবিতে শ্লোগান দিতে থাকে।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানার একাধিক পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। পরে পুলিশ অভিযুক্ত ঐ শিক্ষক আমির আলীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে ।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ঐ মাদ্রাসার শিক্ষকদের এলাকাবাসী অবরুদ্ধ করে রেখেছে এমন খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করি।এলাকাবাসীর অভিযোগ তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর গায়ে হাত দিয়ে যৌন হয়রানি করছে ঐ মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আমির আলী। আমরা অভিযুক্ত শিক্ষককে থানে নিয়ে এসেছি। পরবর্তীতে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্ৰহন করা হবে ।

