কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ও ফরিদপুর-৪ আসনের প্রার্থী বাবুল কারাগারে


মোঃ রমজান সিকদার,
ভাঙ্গা(ফরিদপুর)সংবাদদাতা-১৮/০৮/২০২৫
জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক ও ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শহিদুল ইসলাম খান বাবুলকে সরকারি কাজে বাধা ও বেআইনি সমাবেশের অভিযোগে পল্টন থানার একটি মামলায় দণ্ডিত দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (১৮ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফুজ্জামানের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিনের আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে আদালত তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
শহিদুল ইসলাম বাবুলের আইনজীবী সাদেকুল ইসলাম ভুঁইয়া (জাদু) এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, শহিদুল ইসলাম বাবুল আজ আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিন আবেদন করেছিলেন। আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। আমরা উচ্চ আদালতে তার জামিন আবেদন করবো। আশা করছি, আদালত তার জামিন মঞ্জুর করবেন। ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর শহিদুল ইসলাম বাবুলকে এক ধারায় আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে সাতদিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আরেক ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে সাতদিনের কারাদণ্ড দেন আদালত।
উল্লেখ্য,মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কক্সবাজার সফর শেষে গুলশান যাবেন। এসময় দলের নেতাকর্মীরা পল্টন এলাকায় সরকারবিরোধী স্লোগান দেয়। ভিআইপি রোড বন্ধ করে ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় পল্টন মডেল থানার এসআই মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল ওইদিনই মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৯ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আতাউর রহমান। মামলার সব কার্যক্রম শেষে ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর রায় দেন আদালত।
এদিকে জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক ও ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শহিদুল ইসলাম খান বাবুলকে কারাগারে পাঠানোতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার সংসদীয় আসন ফরিদপুর -৪ এর বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ। অনতিবিলম্বে তাকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলে সোবহান শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা, বিএনপি নেতা ফারিদুজ্জামান লাভলু, ওসমান মুন্সী প্রমুখ।