স্টাফ রিপোর্টার: ফরিদপুরের ভাঙ্গায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু‘দল গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এতে মহিলাসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। এ সময় হামলাকারীরা কয়েকটি দোকানপাট সহ বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের চুমুরদী গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। সংঘর্ষে গুরুতর আহতদের মধ্যে ৫ জনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
আহতরা হলেন, কালাম সরদার (৬০), আয়না বেগম (৬৫), সুমন কাজী (২৫), আলম সরদার (২৪) ও রুবেল কাজী (২৭)।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং পূর্বশত্রুতার জের ধরে রঙ্গু ফকির ও মনির ফকিরদের সাথে কালাম সরদার ও উজ্জল মিয়ার দীর্ঘদিন যাবত গ্রাম্য দলাদলি চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাস্তা দিয়ে মজিরন বেগম (কালাম সরদারের সমর্থক) পাটকাঠী নিয়ে যাওয়ার সময় পথে হ্যাপি বেগমের (রঙ্গু ফকির সমর্থক) শরীরে অসাবধানতার কারনে পাটকাঠীর খোচা লেগে যায়। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ঝগড়াঝাটি হয়। পরে এই কোন্দলকে কেন্দ্র করে ২ দলের গ্রামবাসীরা সংঘবদ্ধ হয়ে ঢাল, সড়কী, ইট-পাটকেল, লাঠি সোঠা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে ওই সংঘর্ষের সুত্র ধরে রঙ্গু ফকির ও মনির ফকিরের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে কয়েক দফায় অতর্কিত হামলা চালিয়ে কালাম সরদারের বাড়ি-ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে। এতে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়। খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শফিকুর রহমান ভাঙ্গার আলো-কে জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করি। এ ঘটনায় ২ জনকে আটক করেছি। এখন মামলার প্রস্তুতি চলছে।

