
মোঃ রমজান সিকদার,
ভাঙ্গা প্রতিনিধি -০৮/০৭/২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। ৭ জুলাই উপসচিব সাখাওয়াত হোসেন সরকার সাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে অনতিবিলম্বে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কর্মস্থল থেকে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙা উপজেলায় যোগাদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, আগামীকাল ৯ জুলাইয়ে মধ্যে তাকে বদলীর কর্মস্থলে যোগদান না করলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ হতে পারে।
বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে, ভাঙ্গা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে শিক্ষক বদলী বানিজ্য, ভুয়া নিয়োগে দপ্তরি নিয়োগ ও তাদের নামে কোটি কোটি টাকা উত্তোলন, উপজেলার ২০টির বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টেন্ডার বিহীন নিজ ক্ষমতায় বিক্রি, শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য অতিরিক্ত ঘর নির্মাণের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ, ব্যাংকে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নামের একাউন্টে বরাদ্দকৃত টাকা না রেখে তার নিজ একাউন্টে টাকা জমা রাখা, সিনিয়র শিক্ষকদের সাথে অসদাচরণ, সুন্দরী নারী শিক্ষিকাদের অনৈতিক প্রস্তাব সহ তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তার অন্যতম সহযোগী চাকুরিচ্যুত জনৈক প্রধান শিক্ষক ও তার কারনে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে ভাঙ্গা উপজেলার শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকগন।
তার শাস্তি মুলক বদলির খবরে প্রান ফিরে আসে উপজেলার শত শত শিক্ষকদের মাঝে। অনেকেই দাবি তুলছেন শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম ও তার প্রধান সহযোগী চাকুরিচ্যুত জনৈক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
এবিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিয়া মহিউদ্দিন সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি পুরোপুরি মন্ত্রনালয়ের বিষয়। তবে তার বিরুদ্ধে লিখিত কোন অভিযোগ আমার দপ্তরে নাই।
এবিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমের বক্তব্য নিতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

